মেঠোপথের সেই একফাঁলি চাঁদ ধরবো বলে,
খদ্দরের মোটা চাদরটি পড়ে বেড়িয়েছিলাম।
নিশুতি রাত অন্ধকারের আলোয়,
হিমে ভরা জোসনা,
ভেজা কুয়াশার মাঝে একে দেয় অনর্ব আকিঁবুকি।
নিশাচর কোন পাখীর করুন স্বর-
প্রিয়তমার জন্য কাঁদে।
বাঁশবনের ফাঁকে ফাঁকে বাতাসের গোঙানী,
অলস মেঘের আড়ালে একফাঁলি চাঁদটাকে ধরবো বলে,
আস্তিন গুটিয়ে বেড়িয়েছিলাম।
চারদিকে ছায়া নির্ঘুম,
অবিশ্বাস্য দ্রুতগতিতে
হেমলক লতায় জড়ায় নিশাচর কুহক-
আটকে পড়ে যেন-
আলগ্ন সপ্তর্ষী বেদনায় নীল।
বিস্তীর্ন ফসলের মাঝে লুকিয়ে থাকে বৈরাগ-
অশরীরির মতো অশ্বথের পাতায় শিশির জমে থাকে
ঝড়ে যাবার অপেক্ষায়।
মেঘ যেমন চাঁদকে ঢেকে রাখে,
বস্তুও তেমনি আমাকে।
(পুরোটা পড়ুন...)
ঐ দিকে তাকাও সুন্দরী প্রিয়তমা,
ঐ বৃক্ষের পাশে ,
কেমন নোংরা-রুক্ষ বালিকা তোমার দিকে চেয়ে আছে
উজ্জ্বল বড় বড় চোখে -
লোভী অথচ করুণ ,নিস্পলক ।
তার তামাটে সরু পা-গুলি, ঘা-অলা,
চোখের কোনায় শুকিয়ে থাকা জল,পিচুটি,
লম্বাটে মুখ,চেরা সিঁথি আর
শীর্ণ দেহ নিয়ে সে লুকিয়ে আছে লজ্জায়-
জামাটি তার ছোট এবং ছেঁড়া বলে।
কাগুজে গ্লাসটি রেখে দাও ,প্রিয়তমা।
আজ তোমাকে কতই না চমৎকার লাগছে!
দেখো, ফকিরনী মেয়েটির ঠোঁটে লালসা,
তোমার এলোমেলো করে রাখা
আধখাওয়া চিকেন ব্রোষ্ট-
সিমেন্টের মেঝেতে আচঁড় কাটছে সে
ক্ষুধাতুর অস্থিরতায়।
নোলা বাড়িয়ে সে অপেক্ষা করছে
কখন গিলবে সে তোমার ফেলে দেয়া উচ্ছিষ্ট
পৃথিবীর সব গ্রন্থীল অনাচার।
আসলে ওর ঘুমপারানী গান তো আমাদের
ছুড়ে দেয়া কুকুরের হাড়।
(পুরোটা পড়ুন...)
(বোরিং ক্লাসে বইয়া বইয়া ছুটুখাট মেলা কবিতা লিখছি….লিখা পাস করছি আশেপাশে…..ফ্রেন্ডরা কমেন্ট লিখা দিত…কবিতাগুলা সংরক্ষন করি নাইকা….ব্যাগের সাইড পকেটে অথবা মেকানিক্স খাতার পাতায় আছে হয়তো….তার একটা খুইজা পাইলাম…..কুনু ইডিটিং না কইরা তুইলা দিলাম)
(১)
ভেজা ভেজা মেঘের শীতে কুঁকড়ে থাকা
কুয়াশায় ডুবন্ত সকাল।
আমি যখন শিশির ভেজা শিউলি ফুল কুড়াই,
আমাকে সাহায্য করে দু’জন সর্দি ঝড়া পথবালিকা।
রাতজেগে চলা নির্ঘুম ট্রাক,
একটা-দুটো গেয়োঁ রিকশা শব্দে-নিঃশব্দে চলে যায়।
ছেড়া কাঁথার মতো পলিব্যাগ-
বালিকারা মুঠো ভরে আমার জন্য ফুল বয়ে নিয়ে আসে।
(২)
আজকের দিনটা তুলোর মতো,
ফুঁ দিলেই যেন বাতাসে হারায়।
তুমি যেন পিক আওয়ারের ব্যাস্ত নেটওর্য়াক।
আমার কলগুলো শুধু মিসকল হয়ে যায়।
(৩)
হালিম স্যারের ক্লাসে তোমায় নিয়ে কবিতা লিখি।
কবিতা তো নয়, যেন শুধু অনর্থক আকিঁবুকি।
মেশিনগানের সামনে তো কবিতা এফোঁর-ওফোঁড়।
দুর্বোধ্য লেকচার আর দুর্বোধ্য তুমি মিলে
হয়েছো চমৎকার মানিকজোড়
(পুরোটা পড়ুন...)
কখনো খেলাচ্ছলে, কখনো ভুলে
আনমনে লিখেছি তোমার নাম,
তারপর তাকে সাজিয়েছি,
তাকে লুকিয়েছি আমার বন্ধুদের নজর থেকে।
কখনো রাজপথ, শীতের ওম কুড়াতে,
প্রিয় চায়ের দোকানটার খোঁড়া বেন্চীতে বসে,
আনমনে ধোয়া ছাড়তে ছাড়তে ভেবেছি
একা থাকা মাঝে মাঝে অসহ্য...
মাঝে মাঝে একজন সঙ্গিনীরও দরকার হয়,
ভাপা পিঠাটা ভাগাভাগি করে খাবার জন্য।
ধুলো পড়া কবিতার খাতায়,
আমার জমে থাকা কষ্টগুলো ঝেড়ে ফেলে
পরম মমতায় হাত বুলাই।
তোমাকে নিয়ে লেখা প্রেমের কবিতাগুলো সবাই পড়লো-
কই, তুমি তো পড়ে দেখলে না।
রাত ১০:৩০
ডিসেম্বর ছয়
(অনেক দিন কবিতা লিখি না....আমার কাছে কবিতা লেখা মানে অবশেষে নিজের কাছে ফিরে আসা)
(পুরোটা পড়ুন...)
আর এস এস ফিড
রুবাইয়াতে ওমর খৈয়াম
প্রিয় সাকি, তাহার সাথে দিও একখানি বই কবিতার,
জীর্ণ আমার জীবন জুড়ে রইবে প্রিয়া আমার সাথ,
এই যদি পাই চাইব না কো তখত্ আমি শাহানশার!
আত্মকথা
- নকীব
- আমি খুব সাধারন একটা ছেলে....স্বপ্ন দেখতে ভালোবাসি..আসলে স্বপ্ন দেখি বলেই বেঁচে আছি...আমার মনের ভাবনাগুলোকে প্রকাশ করার জন্যই এই আয়োজন....মূলত কবিতা লিখি..গান শুনতে ভালো লাগে...প্রচুর গান শুনি...বই পড়ি..মুভি দেখি..জীবনটাকে সবসময় উপভোগ করা চেষ্টা করি। নাকি জীবনই আমাকে উপভোগ করে বুঝতে পারি না।
যা ইচ্ছে লেখার কবিতার খাতা
আমার ব্লগ তালিকা
-
বুয়েটিয়ান স্মৃতি-৩ - *নিউটন রিং গোল কেন:* ওয়ান ওয়ানে ফিজিক্স সেসনাল। রাফিন স্যার প্রতিদিনই আমাদের ধোয়। আমাকে তো আরো বেশি কারন আমি স্যারের কোনো প্রশ্নেরই উত্তর দিতে পারি না। এর...